কনে সাজাতে দেরি হওয়ায় বিয়েবাড়িতে সংঘর্ষে আহত ১০

স্থানীয়রা জানান, দুই সপ্তাহ আগে উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের মধুখালী গ্রামের আব্দুর রহমান ফকিরের ছেলে সোহেবের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মৌডুবী ইউনিয়নের মাঝের দেওর গ্রামের মোরশেদ হাওলাদারের মেয়ের বিয়ে হয়। গত বুধবার বরপক্ষ এসে কনেকে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যায়। দুই দিন পর শুক্রবার কনে পক্ষের লোকজন বরের বাড়িতে কনেকে আনতে যায়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া বলেন, কনেযাত্রী ৩০ জন আসার কথা থাকলেও এসেছিল ৫০ জনের বেশি। এ নিয়ে বরপক্ষ মনক্ষুন্ন ছিল। কনেকে প্রস্তুত করতে দেরি হলে কন্যাপক্ষ উত্তেজিত হয়। পরে দুই পক্ষের লোকজন বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে হাতাহাতি হয়। সবশেষে নিজেদের ভুল বোঝাবুঝির মীমাংসা হয়। বর ও কনেকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন কন্যাপক্ষ।
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, কোনও পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। আমরা পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জেনেছি স্বামী-স্ত্রীকে নিয়ে গেছেন কন্যাপক্ষ।
স্থানীয়রা জানান, দুই সপ্তাহ আগে উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের মধুখালী গ্রামের আব্দুর রহমান ফকিরের ছেলে সোহেবের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মৌডুবী ইউনিয়নের মাঝের দেওর গ্রামের মোরশেদ হাওলাদারের মেয়ের বিয়ে হয়। গত বুধবার বরপক্ষ এসে কনেকে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যায়। দুই দিন পর শুক্রবার কনে পক্ষের লোকজন বরের বাড়িতে কনেকে আনতে যায়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া বলেন, কনেযাত্রী ৩০ জন আসার কথা থাকলেও এসেছিল ৫০ জনের বেশি। এ নিয়ে বরপক্ষ মনক্ষুন্ন ছিল। কনেকে প্রস্তুত করতে দেরি হলে কন্যাপক্ষ উত্তেজিত হয়। পরে দুই পক্ষের লোকজন বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে হাতাহাতি হয়। সবশেষে নিজেদের ভুল বোঝাবুঝির মীমাংসা হয়। বর ও কনেকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন কন্যাপক্ষ।
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, কোনও পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। আমরা পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জেনেছি স্বামী-স্ত্রীকে নিয়ে গেছেন কন্যাপক্ষ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *